Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬

মুম্বইয়ে চাঁদের হাট: দীর্ঘদিনের বান্ধবী সানিয়ার সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন অর্জুন তেন্ডুলকর

 ‌

Marriage-of-Arjun-Tendulkar

সমকালীন প্রতিবেদন : ক্রিকেট ঈশ্বরের আঙিনায় সানাইয়ের সুর। অবশেষে চার হাত এক হলো। দক্ষিণ মুম্বইয়ের বিলাসবহুল ‘দ্য সেন্ট রেজিস’ হোটেলে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করলেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকরের পুত্র অর্জুন তেন্ডুলকর। বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেমিকা সানিয়া চন্দোকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন তিনি। ক্রিকেট থেকে বলিউড এবং রাজনীতি থেকে শিল্পজগৎ– দেশের তাবড় নক্ষত্রদের উপস্থিতিতে মায়ানগরী মুম্বই এদিন কার্যত ‘চাঁদের হাটে’ পরিণত হয়েছিল।

সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫৪ মিনিট নাগাদ বিয়ের মূল আচার-অনুষ্ঠান শুরু হয়। অফ-হোয়াইট রঙের ওপর রঙিন সুতোর কারুকাজ করা শেরওয়ানিতে সেজেছিলেন অর্জুন। অন্যদিকে সানিয়াকেও দেখা গিয়েছিল অপূর্ব সাবেকি সাজে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মালাবদলের পর নবদম্পতি একে অপরকে আবেগঘন আলিঙ্গন করছেন। 

সেই আনন্দঘন মুহূর্তে সচিন তেন্ডুলকর, তাঁর স্ত্রী অঞ্জলি এবং কন্যা সারাকে উচ্ছ্বসিত মেজাজে নবদম্পতির ওপর ফুল ছিটিয়ে আশীর্বাদ করতে দেখা যায়। জানা গিয়েছে, সানিয়া আদতে সচিন-কন্যা সারার প্রিয় বান্ধবী। সেই বন্ধুত্ব থেকেই অর্জুনের সঙ্গে প্রেমের শুরু এবং আজ তা পরিণয়ে রূপ নিল। শচীন-পুত্রের বিয়েতে আমন্ত্রিতদের তালিকা ছিল দীর্ঘ এবং চমকপ্রদ। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন বিসিসিআই সচিব তথা আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। 

ক্রিকেট বিশ্বের মহাতারকাদের মধ্যে মহেন্দ্র সিং ধোনি সস্ত্রীক সাক্ষী, সুনীল গাভাসকর, অনিল কুম্বলে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এবং হরভজন সিংরা নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানাতে হাজির হন। বিশেষ উল্লেখ্য যে, ভারত বনাম ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের কয়েক ঘণ্টা আগে ব্যস্ত সূচির মাঝেও অর্জুনকে আশীর্বাদ করতে পৌঁছেছিলেন টিম ইন্ডিয়ার হেড কোচ গৌতম গম্ভীর। এছাড়াও মুকেশ ও নীতা অম্বানি এবং ধারাভাষ্যকার হর্ষ ভোগলেদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।

তেন্ডুলকর পরিবারের এই বিয়েতে ছিল কড়া নিরাপত্তা ও আধুনিকতার ছোঁয়া। প্রতিটি অভ্যাগতের জন্য আলাদা ‘কিউআর কোড’ বরাদ্দ করা হয়েছিল, যা দেখিয়ে অনুষ্ঠান কক্ষে প্রবেশ করতে হয়েছে। উপহারের ক্ষেত্রেও ছিল বিশেষ অনুরোধ– কোনো বস্তুগত উপহার নয়, শুভেচ্ছা হিসেবে অতিথিরা শুধুমাত্র ফুল নিয়ে এসেছিলেন।

বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে নববিবাহিত দম্পতি হাসিমুখে পাপারাৎজিদের সামনে উপস্থিত হন। পরিবারের সকলের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী পোশাকে তাঁদের সাবলীল ও হাসিখুশি মেজাজ ক্যামেরাবন্দি হয়। গত বছর ২৫ অগস্ট অত্যন্ত ঘরোয়াভাবে বাগদান পর্ব সেরেছিলেন অর্জুন ও সানিয়া। তার ঠিক মাস ছয়েকের মাথাতেই বড়সড় ধুমধাম করে বিবাহ অভিযান সম্পন্ন করলেন তাঁরা।‌‌





কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন