সমকালীন প্রতিবেদন : টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের দাবি ঘিরে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে একমাত্র পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর কোনও দেশই এই দাবিকে সমর্থন না করায় ক্রমেই একঘরে হয়ে পড়ছে বিসিবি। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই কি বিষয়টি সহজভাবে নেবে, নাকি পাল্টা কৌশল নিতে পারে ভারতও।
বিশ্ব ক্রিকেটে আর্থিক দিক থেকে সবচেয়ে শক্তিশালী বোর্ড বিসিসিআই। আইসিসির আয়ের সিংহভাগই আসে ভারতের হাত ধরে। ফলে ভারতীয় বোর্ডের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হলে তার প্রভাব যে গভীর হবে, তা বলাই বাহুল্য। আগামী দিনে তার প্রথম ধাক্কা লাগতে পারে ২০২৭ সালের এশিয়া কাপে। ওই প্রতিযোগিতা বাংলাদেশের মাটিতে হওয়ার কথা থাকলেও ভারত অংশ না নিলে গোটা টুর্নামেন্টই বাতিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেক্ষেত্রে আর্থিক ও কূটনৈতিক– দু’দিক থেকেই বড় ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ।
চলতি বছরেই ভারতের বাংলাদেশ সফরের সূচি রয়েছে। ভারত যদি সেই সফর বাতিল করে, তা হলে সম্প্রচারস্বত্ব ও স্পনসরশিপ বাবদ বিপুল আর্থিক ক্ষতি হবে বিসিবির। বাস্তবে দেখা গিয়েছে, ভারত সফরে গেলে অন্যান্য সিরিজের তুলনায় বহুগুণ বেশি আয় করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
এছাড়াও ভবিষ্যতে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের আইপিএল বা ডব্লিউপিএলে খেলার সুযোগ নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। এমনকি পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে বাংলাদেশের ম্যাচের সম্প্রচার বন্ধ করার পথেও হাঁটতে পারে বিসিসিআই। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ বয়কটের অবস্থান বাংলাদেশ ক্রিকেটকে বড়সড় ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।






কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন