Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

জোড়া ঘূর্ণাবর্ত ও অক্ষরেখার দাপট: কালবৈশাখীর ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ভিজছে বাংলা

 

Stormy-Onslaught-of-Kalbaishakhi

সমকালীন প্রতিবেদন : উত্তর ভারত থেকে উত্তর-পূর্ব ভারত পর্যন্ত বিস্তৃত নিম্নচাপ অক্ষরেখা এবং ঘূর্ণাবর্তের জোড়া প্রভাবে জলীয় বাষ্পে পুষ্ট হয়ে কার্যত বর্ষার মেজাজ দেখছে বাংলা। বুধবার সন্ধ্যা থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া শুরু হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এখনই কাটার সম্ভাবনা নেই। বরং আগামী মঙ্গলবার, ৫ মে পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে দফায় দফায় চলবে কালবৈশাখীর তাণ্ডব।

আজ বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির কারণে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়া পূর্ব বর্ধমান ও উত্তর ২৪ পরগনার কিছু অংশেও ৭-১১ সেন্টিমিটার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

উত্তর ২৪ পরগনা, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদীয়ায় ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। কলকাতা-সহ অন্যান্য জেলায় ঝড়ের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিমি। হাওড়া, দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও আগামী রবিবার পর্যন্ত বৃষ্টির দাপট জারি থাকবে। বিশেষ করে জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ৭-২০ সেন্টিমিটার অর্থাৎ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০-৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

সমুদ্র উত্তাল থাকার আশঙ্কায় আগামী ২ মে, শনিবার পর্যন্ত বাংলা ও উত্তর ওড়িশা উপকূল সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে মৎস্যজীবীদের যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এদিকে, বুধবারের বৃষ্টির প্রভাবে মহানগরের তাপমাত্রার পারদ এক ধাক্কায় অনেকটা নেমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.০২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩.০৪ ডিগ্রি কম। বাতাসে অত্যধিক আর্দ্রতার পরিমাণ (সর্বোচ্চ ৮৯ শতাংশ) থাকলেও বৃষ্টির জেরে চৈত্র-বৈশাখী দাবদাহ থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে তিলোত্তমাবাসীর।




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন